গল্পকথক ঘুম ভাঙল ফজরের আজানে।
গল্পকথক আজ মাহদী আজানটা একটু অন্যরকম করে শুনল।
গল্পকথক حَىَّ عَلَى ٱلْفَلَاح — কল্যাণের দিকে এসো।
গল্পকথক সে চোখ বন্ধ করে ভাবল — ফালাহ। চাষির শব্দ। মাটি ফাটিয়ে ভেতর থেকে বের করে আনা।
তাসমিয়া নামাজ শেষে সে তাসমিয়াকে খুঁজে বের করল।
গল্পকথক "তোর কালকের প্রশ্নের উত্তরটা পেয়েছি।"
গল্পকথক "কোন প্রশ্ন?"
গল্পকথক "আল্লাহ একজন হলে ভয় লাগে কেন।"
তাসমিয়া তাসমিয়া বালিশ থেকে মাথা তুলল।
মাহদী "উত্তরটা কালিমার শেষে নয়," মাহদী বলল। "উত্তরটা বিসমিল্লাহর শেষে। আর-রাহমানির রাহীম।"
তাসমিয়া তাসমিয়া কিছুক্ষণ ভাবল। তারপর বলল, "মানে দরজা একটাই, কিন্তু দরজাটা ভালো?"
গল্পকথক মাহদী হেসে ফেলল। "তুই আমার চেয়ে সহজ করে বললি।" 🚪
গল্পকথক সেই রাতে হুদহুদ ম্যাপটা মেলল। চতুর্থ দ্বীপের প্রথম গ্রামটা জ্বলে উঠেছে — কিন্তু আলোটাও ঝাপসা।
গল্পকথক "এই সপ্তাহে তুমি চারটে জিনিস শিখলে," হুদহুদ বলল। "বলো তো।"
গল্পকথক মাহদী গুনল।
গল্পকথক "এক — আমি শূন্য থেকে শুরু করিনি। সিঁড়িটা অন্যরা বানিয়েছে।"
গল্পকথক "দুই — একজন মালিক হওয়াটাই সবচেয়ে বড় শান্তি, কারণ তিনি দয়ালু।"
গল্পকথক "তিন — যা দেখি না, তা-ও সত্যি হতে পারে। কিন্তু ডার্ক ম্যাটার জিন নয়।"
গল্পকথক "চার — আল্লাহর নামে না জেনে কিছু বলা যাবে না।"
গল্পকথক হুদহুদ মাথা নাড়ল। "আর এই চারটের মধ্যে তিন নম্বরটাই এই দ্বীপের চাবি।"
গল্পকথক "কেন?"
গল্পকথক "কারণ সামনের তিন সপ্তাহ তুমি এমন সব জিনিস শিখবে যা কেউ কখনো চোখে দেখেনি — ফেরেশতাদের সারি, সাত আসমান, শয়তানের কান পাতা।"
গল্পকথক হুদহুদের ঝুঁটিটা কেঁপে উঠল।
গল্পকথক "আর দ্বীপের শেষে তুমি পাবে সেই আয়াতটা।"
গল্পকথক "আয়াতুল কুরসি?"
গল্পকথক "হ্যাঁ। কুরআনের সবচেয়ে বড় আয়াত।" হুদহুদ দূরে তাকাল। "যেটা তোমার দাদি রোজ রাতে পড়েন — আর যেটা রাতের বেলা তোমার ঘরে পাহারা দেয়।" 🛡️